ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সম্পর্কিত প্রশ্ন এবং উত্তর - BytecodeSoft's Training FAQ

ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর – BytecodeSoft’s Training FAQ

 

প্রশ্ন: ভর্তি হওয়ার বা টাকা পাঠানোর আগে কি স্যারদের সাথে কথা বলা যাবে ?

উত্তর:  জি যাবে, আপনি পেইজে ( https://www.facebook.com/BytecodeSoft ) অথবা সাপোর্ট পোর্টালে ( https://support.bytecodesoft.com/ ) মেসেজ করুন অথবা আমাদেরকে কল ( +88 01737 196 111 or +88 01609 820094 ) করুন।

 

প্রশ্ন: ভর্তি ফি কিভাবে পাঠাবো ।

উত্তর: আমাদের ওয়েবসাইটের এডমিশন পেইজে ( https://www.bytecodesoft.com/admission/ ) বিকাশ, রকেট ও নগদ নাম্বার  এবং ব্যাংক একাউন্ট দেয়া আছে,  নাম্বারগুলো ১০০% সঠিক এবং সবগুলো বাইটকোডের নাম্বার,‌ পেমেন্ট করার আগে কল করে শিউর হয়ে নিতে পারেন, অন্য কোন নাম্বারে টাকা পাঠালে আমরা দায়ি থাকবোনা।

 

প্রশ্ন:  মানি রিসিট কি দিবেন ?

উত্তর: জী, আপনি অনলাইন ইনভয়েস অথবা অফলাইনে মানি রিসিট নিতে পারবেন,  এই ছাড়া টাকা পাঠানোর পর বিকাশ মেসেজের টি আর আইডি, স্ক্রিনশটই আপনার মানি রিসিট। তাই  বিকাশ, রকেট, নগদ বা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর স্ক্রিনশট বা ছবি সেইভ করে রাখবেন, তাছাড়া আপনার বিকাশ বা ব্যাংক স্টেটমেন্টে এটি থাকবে, এটি দিয়ে আপনি যে কোন সময় ক্লেইম করতে পারবেন ।

 

প্রশ্ন: টাকা পাঠানোর পর কিভাবে ক্লাসে জয়েন করব ?

উত্তর: ওয়েবসাইটে উল্লেখিত বিকাশ বা ব্যাংকে পেমেন্ট করে ঐ টি আর আইডি বা স্ক্রিনশট সহ আমাদের এডমিশন ফরমটি ফিলাপ করতে হবে, ফিলাপ করার ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যেই আপনি ইমেইল পাবেন, ইমেইলে ক্লাস জয়েনিং লিংক ও সকল নিয়ম বলা থাকবে। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.bytecodesoft.com/courses/ ও ভর্তি ফরমঃ https://www.bytecodesoft.com/admission/

 

প্রশ্ন: ক্লাস ও সাপোর্ট কিভাবে হয় ? কখন হয় ?

উত্তর: অনলাইন অথবা অফলাইনে আমাদের ক্লাস ও সাপোর্ট হয় । প্রায় প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সাপোর্ট টীম মেম্বাররা পালাক্রমে সাপোর্ট দেন, সর্বমোট ১৫ ঘন্টা সাপোর্ট আর বাকী ০৯ ঘন্টা গ্রূপ ডিসকাশন ও পোর্টালের মাধ্যমে সাপোর্ট দেয়া হয় ।

Online & Offline Support

Our dedicated support continues daily for 15 hours, from 9 am to 12 pm, and for the remaining 9 hours, you will get group & portal support. Our support is running 24 hours a day, 7 days a week.

Name and schedule of support team members:

9 am – 12 pm = Masum Sir

12 pm – 3 pm = Khalil Sir

3 pm – 6 pm = Parvez Sir

6 pm – 9 pm = Rahman Sir

9 pm – 12 pm = Jahid Sir

Our  Dedicated Support Portal Link: https://support.bytecodesoft.com/

 

প্রশ্ন: কোর্স ফি কত ?

উত্তর:  ১০,০০০ টাকা। সম্পূর্ণ টাকা একসাথে পেমেন্ট করে ভর্তি হতে হবে, কিন্তু এখন একটা অফার আছে, তা হচ্ছে ৩০০০ টাকা ডিস্কাউন্ট – বাকি থাকলো ৭০০০ টাকা, কেউ চাইলে ৩০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি হতে পারবে এবং বাকী টাকা প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে ৪ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে, এই অফারটি যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যাবে।

 

প্রশ্ন: আমি কি ফ্রি’তে শিখতে পারব ?

উত্তর: জী, পারবেন, অনেক স্টূডেন্ট আমাদের এখানে ভর্তি না হয়ে সম্পূর্ণ ফ্রি’তে শিখে ভাল ইনকাম করছে, একদম নতুনদের জন্য আমাদের সাজানো-গোছানো টিউটোরিয়াল লিংক দেয়া আছে  আমাদের ওয়েবসাইটে। এগুলো ধারাবাহিকভাবে শিখে ইনকাম শুরু করতে পারবেন  এবং আমরা আন্তরিকভাবে এটাই চাই, তবে ফ্রি কোর্সে সাপোর্ট দেয়া সম্ভব হয় না, ফ্রি কোর্স লিংক: https://mahbubosmane.com/tutorials/

 

প্রশ্ন: কোর্স ফি কি কিছু কম রাখা যাবে ?

উত্তর: কোর্স ফি কম রাখার সুযোগ নেই, প্রতিদিন ক্লাস ও সাপোর্ট টীমের ১৫ ঘন্টা সাপোর্ট সহ আমরা যে সকল সুযোগ সুবধা দিয়ে থাকি তার মূল্য কমপক্ষে ৩০-৪০০০০ টাকা হওয়া উচিত, সুযোগ সুবিধার তুলনায় কোর্স ফি একদমই কম, বাংলাদেশের মানুষের আয় ক্ষমতা কম হওয়ার কারনে কম টাকায় সাপোর্ট দিতে হচ্ছে।

 

প্রশ্ন: কোর্সের মেয়াদ কত দিন ?

উত্তর:  একবার ভর্তি হওয়ার পর আনলিমিটেড টাইম ক্লাস করা যাবে ও সাপোর্ট নেয়া যাবে, যতদিন পর্যন্ত আপনার ইনকাম না হয়।

 

প্রশ্ন: কি রকম কম্পিউটার লাগবে ?

উত্তর:  ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করার জন্য সাধারণ কাজ গুলো করতে হবে, এগুলে করতে একটু পুরাতন কম্পিউটার হলেও সমস্যা নেই, সুতারাং ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কম্পিউটারের কনফিগারেশন খুব বেশি হাই হতে হবেনা, ১৫-২৫ হাজার টাকা দিয়ে কম্পিউটার কিনে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে ।

 

প্রশ্ন: মোবাইল দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে ?

উত্তর: কিছু কাজ করা যায়, যেমন রাইটিং, সার্ভে ইত্যাদি, আমাদের পরামর্শ হচ্ছে একিবারে যদি কম্পিউটার এই মুহুর্তে না কিনতে পারেন, তবে মোবাইল দিয়ে শিখা শুরু করেন, এবং আস্তে আস্তে একটি কম্পিউটার কিনে নিন।

 

প্রশ্ন: কি রকম ইংলিশ লাগবে ?

উত্তর:  ক্লাস নাইন লেভেলের ইংলিশ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে, বাকীটা আমরা ইংরেজি কমিউনিকেশন কোর্সের মধ্যে শিখাবো, ইংশাআল্লাহ ।

 

প্রশ্ন: ইনকাম শুরু হতে কতদিন সময় লাগবে ?

উত্তর: প্রতিদিন ৩-৪ ঘন্টা সময় দিয়ে ৩-৪ মাসে ইনকাম করা সম্ভব, তবে এটা নির্ভর করবে আপনার চেস্টা, শ্রম এবং মেধার উপরে।

 

প্রশ্ন : যদি ৩-৪ মাস থেকে ইনকাম করতে না পারি ?

উত্তর:   আমাদের গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা করে সময় দেয়ার পরও যদি আপনি সফল হতে না পারেন তবে আমরা আপনাকে স্পেশালভাবে হেল্প করে মাসে ১০-১২ হাজার টাকার চাকরীর প্লেসমেন্টের ব্যাবস্থা করবো, ইংশাআল্লাহ ।

 

প্রশ্ন: নতুন ব্যাচ কখন শুরু হয় ?

উত্তর: প্রতি মাসের ১ তারিখ এবং ১৬ তারিখ ।

 

প্রশ্ন: আমি কি পারব?

উত্তর: বাংলাদেশের লাখ লাখ ছেলে মেয়ে পারছে, আপনার চাইতেও অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন ছেলে মেয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক ভাল আয় করছে, ভালভাবে কাজ শিখলে নিশ্চিত ভাবে পারবেন।

 

প্রশ্ন: এটাকে কি একমাত্র পেশা হিসেবে নেয়া যাবে ?

উত্তর: ইয়েস, ফ্রিল্যান্সিং একটি  লাইফটাইম প্রফেশন, দৈনিক ৮ ঘন্টা করে কাজ করলে মাসে নিশ্চিতভাবে কম পক্ষে ২০-৩০০০ হাজার টাকার উপর ইনকাম করা যায়, দ্রূত প্রমোশন হয় ও সেলারী বাড়ে , তাছাড়া এখানে কোন বেকার সমস্যা নেই, আর ভবিষ্যতে ম্যাক্সিমাম চাকরীই অনলাইনে হয়ে যাবে আশা করা যায়। তবে ৫-৭ বসর ফ্রিল্যান্সিং করার পর আমরা আপনাকে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য উৎসাহ  এবং গাইডলাইন দিবো।

 

প্রশ্ন: চাকরীজীবী, স্টূডেন্ট বা গৃহিনীরা কি দৈনিক ২/৩ ঘন্টা পার্ট টাইম ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে?
উত্তর: পারবেন, এখানে ফুল টাইম জব আবার পার্ট টাইম জব দুই রকমের চাকরী পাওয়া যায়, আপনি পার্ট টাইম জব এবং ঘণ্টা অথবা কন্ট্রাক্ট বেসিসে কাজগুলো করতে পারবেন, কাজ নিয়ে আপনার সুবিধামত করে জমা দেয়ার পর পেমেন্ট পাবেন ।

 

প্রশ্ন:  এত সহজ হলে সবাই করছে না কেন ?
উত্তর:  একজন মানুষ গ্রাজুয়েশন কম্পিলিট করার পর সরকারী-বেসরকারী চাকরীতে এপ্লাই করতে পারলেও ফ্রিল্যান্সিং জবে এপ্লাই করতে পারবেন না, ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে অবশ্যই শূণ্য থেকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট  কাজগুলো ভালভাবে প্রফেশনাল লেভেলে শিখতে হবে, পাশাপাশি বায়ার ম্যানেজম্যন্ট, কমিউনিকেশন, কাজ নেয়া, কাজ জমা দেয়া এগুলো ও শিখতে হয়, সঠিক গাইডলাইন মেনে ভালভাবে কাজ শিখলে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সফল হওয়া যায়, ফ্রিল্যান্সিং শিখতে অনেক কঠিন  কিন্তু শিখার পর  কাজ করতে সহজ ।

 

প্রশ্ন: প্রতিদিন কতক্ষণ সময় ‍দিতে হবে ?
উত্তর:  ফুল টাইম করলে ৮ থেকে ১২ ঘন্টা আর পার্ট টাইম করলে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা।

 

প্রশ্ন:  মাসে কত টাকা ইনকাম করা যাবে ?
উত্তর: ফুল টাইম জব করলে ২০ হাজার টাকা প্লাস আর পার্ট টাইম জব করলে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবে আপনি যদি কঠিন ও ক্রিটিক্যাল কাজগুলো শিখতে পারেন এবং একই সময় দিলে আপনার ইনকাম ডাবল বা ট্রিপল হবে, তবে প্রথমে সহজ কাজ দিয়ে শুরু করতে হবে ক্রমান্বয়ে কঠিন কাজে যেতে পারবেন।

 

প্রশ্ন: রাত জেগে কাজ করতে হবে কিনা ?
উত্তর: আপনি কাজের অর্ডার নিয়ে আপনার সুবিধামত কাজ করবেন, রাত-দিন যথন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবেন, তবে বায়ার থেকে তার কাজটি আর্জেন্ট কিনা জেনে নিতে হবে, কাজটি করে সময় মতো জমা দিলেই অটোমেটিক্যালি আপনার একাউন্টে পেমেন্ট চলে আসবে, সুতরাং ফ্রিল্যান্সিং মানেই রাত জেগে কাজ করা না

 

প্রশ্ন: এটা হালাল নাকি হারাম ?
উত্তর: ১০০% হালাল , আপনি কাজ করবেন কোম্পানী আপনাকে পেমেন্ট দিবে, অবশ্যই হালাল, তবে কেউ  যদি বুঝে শুনে কোন হারাম কোম্পানীতে জব করে তবে তা অবশ্যই হারাম, এই রকম হারাম কোম্পানীতে কেউ জব করলে তা তার পার্সনাল ব্যাপার, হারাম কাজকে আমরা নিরুৎসাহিত করি।

 

প্রশ্ন: কিভাব বুঝব আপনারা সঠিক নাকি ভূয়া ?
উত্তর:  এটা জোর করে বুঝানোর ইচ্ছা আমাদের নেই, আমরা চাই সবাই ফ্রি’তে শিখুক, সেজন্য আমাদের টিউটোরিয়াল, রিসোর্স, সহ অনেক কিছু সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমাদের ওয়েব সাইটে দিয়েছি, গত ১০ বছর ধরে অনেক অনেক ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে, উদ্দেশ্য হচ্ছে শিখানো, আমাদের এই ফ্রি ভিডিওগুলো দেখে যদি প্রতি মাসে ১০/২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন তবে বুঝবেন আমরা সঠিক আর না পারলে নিশ্চিত হবেন আমরা তেমন ভালো কিছু শিখচ্ছিনা, ফ্রি কোর্স লিংক: https://mahbubosmane.com/tutorials/

 

প্রশ্ন:  আপনাদের ফ্রি ও পেইড কোর্সের মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তর:  আমাদের ওয়েবসাইটে সকল ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল ও রিসোর্স দেয়া আছে, এগুলো ডাউনলোড করে যে কেউ নিজে নিজে শিখে প্রতি মাসে ১০/২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবে, এটাই ফ্রি কোর্স । বি.দ্র: ফ্রি ষ্টূডেন্টদেরকে কোন সাপোর্ট দেয়া পসিবল হয় না, পক্ষান্তরে পেইড কোর্সের স্টূডেন্টদেরকে আমাদের মেন্টররা  দেড় ঘন্টা ক্লাস নেন ও সাপোর্ট টীম টোটাল ১৫ ঘন্টা সাপোর্ট দেন , বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক ‍দুটি দেখুন, যারা পকেট খরচ  বা অল্প কিছু ইনকামের জন্য ফ্রিল্যান্সিং করবেন তারা ফ্রি ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন আর যাদের লক্ষ্য ফ্রিল্যান্সিংকে স্থায়ী পেশা হিসেবে নিয়ে প্রতি মাসে ৫০০০০ থেকে এক লাখ+ টাকা ইনকাম করা এবং ফিউচারে উদ্যোক্তা হওয়া শুধুমাত্র তাদের জন্যই পেইড কোর্স । ফ্রি কোর্স: https://mahbubosmane.com/tutorials/ পেইড কোর্স: https://www.bytecodesoft.com/courses/

 

প্রশ্ন: আপনারা কি কোন গ্যারান্টি দিচ্ছেন ?

উত্তর: আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে ইনকাম করতে পারবেন কি পারবেন না এই গ্যারান্টি দুনিয়ার কেউ দিতে পারবে না, আপনার গ্যারান্টি আপনাকেই দিতে হবে, যদি আপনি গ্যারান্টি দিতে পারেন যে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা বা কমপক্ষে ৫ ঘন্টা সময় দিতে পারবেন এবং আরো নিশ্চিত করতে পারেন যে পরিপূর্ণ ভাবে আমাদের গাইডলাইন ফলো করেন তবে ইনশাল্লাহ ১০০% কনফার্ম যে আপনি সফল হবেন,  এমন হতে পারে আপনি প্রথম মাসে সফল হলেন না তবে দ্বিতীয় মাসে হবেন, দ্বিতীয় মাসে না হলে তৃতীয় মাসে হবেন, হবেনই হবেন, শুধুমাত্র লেগে থাকতে হবে, যদি পরিপূর্ণভাবে আমাদের গাইডলাইন ফলো করার পরও আপনি সফল না হন, তবে আমরা আপনাকে স্পেশালভাবে হেল্প করে মাসে ১০-১২ হাজার টাকার চাকরীর প্লেসমেন্টের ব্যাবস্থা করবো, ইংশাআল্লাহ, তবে প্রতিদিন ১০-১২ ঘন্টা করে কোন সময় কি কি কাজ করেছেন তার লিষ্ট সাবমিট করতে হবে ।

 

প্রশ্ন: শুনলাম কেউ সফল না হলে আপনারা ১০-১২ হাজার টাকার চাকরীর প্লেসমেন্টের ব্যাবস্থা করেন?

উত্তর: ইয়েস সত্য, আমাদের পরিপূর্ণ গাইডলাইন মেনে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে সময় দেয়ার পরও যদি আপনি ইনকাম শুরু করতে না পারেন তবে আমরা আপনাকে স্পেশালভাবে হেল্প করে মাসে ১০-১২ হাজার টাকার চাকরীর প্লেসমেন্টের ব্যাবস্থা করবো, ইংশাআল্লাহ, তবে প্রতিদিন ১০-১২ ঘন্টা করে কোন সময় কি কি কাজ করেছেন তার লিষ্ট সাবমিট করতে হবে ।

 

প্রশ্ন: ফ্রিল্যান্সিং কি বন্ধ হয়ে যেতে পারে?

উত্তর:  বিদেশী কোম্পানীগুলো কম খরচে কাজ করানোর জন্যই ফ্রিল্যান্সিং উদ্ভাবন করেছে, যেই কাজের জন্য তাদের দেশের  এমপ্লয়ীকে ২০ ডলার পে করে সেই কাজের জন্য আমদেরকে পে করবে মাত্র ৫-১০ ডলার,  ফ্রিল্যান্সিং বন্ধ হলে উন্নত বিশ্বের লাখ লাখ কোম্পানী বন্ধ হয়ে যাবে, তাছাড়া ভবিষ্যতের পৃথিবী হল অনলাইন নির্ভর চাকরী অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা বাড়বে, আমাদের জীবন-যাপন, ব্যাবসা বানিজ্য, লেখাপড়া সবকিছুই অনলাইন হয়ে যাচ্ছে , সুতরাং অনলাইনে চাকরী করার সিষ্টেম বন্ধ হয়ে যাবে নাকি ভবিষ্যতে আরো বাড়বে তা নিজেই অনুমান করতে পারবেন ।

 

প্রশ্ন: কাজ করানোর পর যদি বায়ার পে না করে?

উত্তর:  বায়ার মার্কেটপ্লেসে আপনার পেমেন্ট জমা দেয়ার পরই আপনাকে হায়ার করতে পারবে এবং আপনি কাজ করে বায়ারকে জমা দিলে মার্কেটপ্লেসেই আপনাকে পেমেন্ট করবে, এমন সিস্টেম আমরা মার্কেটপ্লেসের ক্লাসে দেখিয়ে দিবো, এছাড়া টোটাল মার্কেটপ্লেসের গাইডলাইন তো থাকবেই।

 

প্রশ্ন: একাউন্ট যদি সাসপেন্ড হয়ে যায় ?

উত্তর: আপনি সঠিক গাইডলাইন মেনে কাজ করলে কখনো একাউন্ট সাসপেন্ড হবে না, কিন্তু যদি তার পরও সাসপেন্ড হয়ে যায় তবে আপনার পরিবারের যে কোন সদস্যকে একটা একাউন্ট খুলে দিয়ে তার আই.ডি থেকে আপনি কাজ করতে পারবেন, এছাড়া আমরা দেখাবো, কিভাবে মার্কেটপ্লেসের বাহিরেও ফ্রিল্যান্সিং করা যায়।

আপনাদের আরো কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট সেকশনে করুন, আমরা পশ্নগুলো উত্তর সহকারে এই পোস্টে আপডেট করে দিবো, ইংশাআল্লাহ। বাইটকোড সফটের সাথে আপনার শিখা মজাদার হোক , এই দোয়া এবং কামনা।

প্রশ্ন: ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন ?

উত্তরঃ 1: Alhamdulillah, the income of freelancers is much higher than any job in our country.
১ : ফ্রীলান্সার দের ইনকাম জব থেকে আলহামদুলিল্লাহ অনেক বেশি
2: Freelancers are skilled in the online world, which means they are very skilled in the world because 90% of the world’s work depends on IT.
২ : ফ্রীলান্সাররা অনলাইন জগতে দক্ষ তার মানে দুনিয়া সম্পর্কে অনেক দক্ষ, কারণ পৃথিবীর ৯০% বেশি কাজ আইটি নির্ভর
3: Freelancers live an independent life, they enjoy working
৩ : ফ্রিল্যান্সারদের স্বাধীন জীবন, তারা কাজ করে আনন্দ পায়
4: International friendship with many
৪ : ইন্টারন্যাশনাল বন্ধুত্ব হয় অনেকের সাথে
5: Freelancers can spend more time with their families, which is the biggest contribution
৫ : ফ্রিল্যান্সাররা তাদের পরিবারের সাথে বেশি সময় দিতে পারে,যা সবচেয়ে বড় অবদান
6: The income of freelancers increases day by day
৬ : ফ্রিল্যান্সারদের ইনকাম দিন দিন বাড়ে
7: Freelancers are patient
৭ : ফ্রিল্যান্সাররা ধৈর্যশীল হয়
8: Freelancers like to learn something new
৮ : ফ্রিল্যান্সাররা নতুন কিছু শিখতে পছন্দ করে
9: Freelancers are less arrogant, they encourage others to work
৯ : ফ্রিল্যান্সাররা কম অহংকারী হয়, তারা অন্যকে ও কাজ করতে উৎসাহী করে
10: Freelancers are not involved in bad work, because they are more focused on work, do not have time to do bad work
১০ : ফ্রীলান্সাররা খারাপ কাজে জড়িত হয় না, কারণ তারা কাজে মনোযোগ থাকে বেশি, খারাপ কাজ করার সময় পায় না
11: Freelancing has the opportunity to earn income in a halal way
১১ : ফ্রীলান্সিং এ হালাল ভাবে ইনকাম করার সুযোগ থাকে
12: Working in the International Marketplace can learn the culture of many countries
১২ : ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট প্লেসে কাজ করতে গিয়ে অনেক দেশের সংস্কৃতি জানতে পারে
কিভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং একদম ব্যাসিক থেকে প্রোফেশনাল ১১ [প্রশ্নত্তর পর্ব ]
প্রশ্ন ০১। ভাইয়া ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবো?
উত্তরঃ আপনি আগে কাজটা শিখবেন । আমাকে আবার জিজ্ঞাস করবেন না, “ভাই কি কাজ শিখবো?” ধরুন আমি আপনাকে বললাম আপনি এনিমেশন নিয়ে কাজ করেন । তাহলে আপনি এনিশেমন নিয়ে কাজ শিখলেন কিন্তু মার্কেটপ্লেসে গিয়ে দেখলেন এনিমেশন এর কাজ অনেক কম । কিন্তু যে সব প্রোজেক্ট আসে খুব বড় বড় প্রজেক্ট । লোভ দেখাইলাম আরকি ।
প্রশ্ন ০২। ভাইয়া কাজ পাচ্ছি না, দ্রুত কিভাবে কাজ পাবো?
উত্তরঃ যেভাবে আপনি ফ্রিলান্সিং সেবা প্রদান করে আয় করতে পারবেন তারজন্য আপনাকে প্রথমে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যে বিষয়ে আপনি দক্ষতা অর্জন করবেন সেই বিষয়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে তবেই বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনি একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
জনপ্রিয় কিছু সার্ভিস সমূহ যে গুলো শিখার মাধ্যমে আয় করতে পারবেনঃ
Web Development
Web Design
Android Development
IOS Development
Graphics Design
Digital Marketing
WordPress
SEO
Video Editing
Article Writing
Data Entry
Animation Video Create
Virtual Assistant
Motion Graphics
Shopify
প্রশ্ন ০৩। ভাইয়া আমি ন্যাশনাল আইডি কার্ড পাইনি/আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ড নেই তাহলে আইডি ভেরিফাই করবো কিভাবে?
উত্তরঃ আপনার নিজের ন্যাশনাল আইডি/পাসপোর্ট /ড্রাইভিং লাইসেন্স এগুলো আছে? এড্রেস ভেরিফাই এর জন্য দরকার হবে ইউটিলিটি বিলের কপি যেমনঃ গ্যাস/পানি/বিদ্যুৎ/ব্যাংক স্টেটমেন্ট এসব যদি থাকে তাহলে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সার একাউন্ট ভেরিফাই করতে পারবেন। ভেরিফাই করতে হলে আপনাকে সেটিংস থেকে ভেরিফাই সেন্টারে গিয়ে সমস্ত অরিজিনাল ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে ৫ মিনিট থেকে ৪৮ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর আপনাকে জানিয়ে দেবে।
আমার নিজের এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি। আমার নিজের কোনো আইডি নেই। যা আছে সব আব্বুর নামে আর আমার আংকেল এর নামে। প্রথম আমি ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম আমার টেম্পোরারি কার্ড দিয়ে। অর্থাৎ স্মার্ট কার্ড আসার পূর্বে যে কার্ড ছিলো সেটা দিয়ে। কিন্তু প্রথমবার সাবমিট করার ১ঘন্টা পরে আমাকে জানানো হয় তারা এই কার্ড এক্সেপ্ট করবে না। দ্বিতীয় বার যদি সাবমিট করি তাহলে একাউন্ট ক্লোজ করে দেবে। এরপরে আব্বুর স্মার্ট কার্ড দিয়ে আইডি ভেরিফাই করে ফেলি। কিন্তু আইডিতে আমার নিজের নামই দেখায়, আব্বুর নাম না। নিজের নাম দেখাতে চাইলে কমেন্ট কইরেন ।
প্রশ্ন ০৪। ভাইয়া প্রপোজাল কিভাবে লিখলে দ্রুত ক্লায়েন্টের নজরে যেতে পারবো?
উত্তরঃ প্রোজেক্ট বুঝে বিড করবেন । সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে বিড প্রপোজাল লিখবেন । ক্লায়েন্ট যে বাজেট উল্লেখ করে যেমনঃ ১০-৩০ ডলার। আপনি চেষ্টা করবেন সঠিক পরিমাণে বিড করার। তার আগে অবশ্যই আপনাকে প্রোজেক্ট ডিটেইলস পড়ে নিয়েই বিড করতে হবে। যদি আপনার কাছে মনে হয় যে ক্লায়েন্ট কম দামে প্রোজেক্ট ছেড়েছে তাহলে আপনি আপনার মত করে বিড করতে পারেন । ধরুন, ক্লায়ন্টের একটা কন্টেন্ট লিখতে হবে, সেক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট ১০-৩০ ডলার প্রজেক্ট বাজেট সেট করে দিয়েছে। তাহলে এখানে বিড এমাউন্ট এর বক্সে আপনার নিজের বাজেট লিখবেন, পাশের বক্সে সময়সীমা উল্লেখ করবেন । আপনি এই কাজ কত দিনের মধ্যে শেষ করতে পারবেন সেটা লিখুন । এরপরে প্রজেক্টে ক্লায়েন্ট কি চেয়েছে সে ব্যাপার নিয়ে প্রোপোজাল লিখুন এরপরে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুণ, ব্যাস হয়ে গেলো আপনার প্রথম বিড । এভাবে প্রজেক্ট বুঝ বুঝে বিড করা শুরু করে দিবেন ।
০৫। ভাইয়া একই পিসিতে একাধিক আইডি চালালে কি সমস্যা হবে?
উত্তরঃ আপনি একই পিসিতে একাধিক আইডি চালাতে পারবেন কিন্তু কোনো আইডির সাথে লেনদেন করতে পারবেন না । লেনদেন করলে আপনার সব গুলো আইডি চান্দে চলে যেতে পারে যদি কেউ রিপোর্ট করে । সুতরাং এদিকে নজর রাখবেন ।
০৬। ভাইয়া আমি কাজ বুঝতে পারিনি কিন্তু কাজ নিয়েছি, আমি বুঝতেছিনা এই কাজ শেষ করবো কিভাবে একটু হেল্প করবেন?
উত্তরঃ এই কাজ করবেন না । আপনি যে কাজ বুঝতে পারেন নাই সেই কাজ কেন নিবেন আন্দাজে? আপনি নিজেই যদি বুঝতে না পারেন তাহলে অন্যকে দিয়ে যদি করাতে চান তাহলে কিভাবে তাকে বুঝাবেন? সুতরাং কাজ নেওয়ার আগে ভেবে চিনতে নেবেন ।
০৭। ভাইয়া আমি কাজ করেছি কিন্তু আমার টাকা আটকে গেছে আমি কি করবো এখন?
উত্তরঃ টাকা আটকে যাওয়ার অনেক গুলো কারণ আছে । সেগুলো হলো, ক্লায়েন্ট এর আইডী ভেরিফাইড না । ক্লায়েন্টের পেমেন্ট ম্যাথড এর সমস্যা থাকার কারণে ফ্রিল্যান্সার এডমিন থেকে আপনার টাকা আটকে দেবে বা ব্লক করে দেবে। এইটাকা আপনি তখই উইথড্র করতে পারবেন যখন আপনার ক্লায়েন্টের আইডি ভেরিফাইড হবে । এছাড়া বিস্তারিত জানার জন্য সাপোর্টে কথা বলতে পারেন support@freelancer.com.
প্রশ্ন ০৮। ভাইয়া ফ্রিল্যান্সার থেকে টাকা তুলতে হলে কি আইডি ভেরিফাই করা বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ আইডি ভেরিফাই করা বাধ্যতামূলক না কিন্তু আমি আপনাকে অনুরোধ করবো আইডি ভেরিফাই করে এরপরে আইডি থেকে টাকা উইথড্র দেবেন । কারণ, ফ্রিল্যান্সার থেকে এমন ভাবে আইডি সাসপেন্ড করে যা বুঝার ক্ষমতা নেই । আইডি সাস্পেন্ড হলেই বলে দেবে ট্রামস অ্যান্ড কন্ডিশন ভেংগেছেন । তাই আমি অনুরোধ করবো আগে ভেরিফাই করেন এরপরে উইথড্র করেন ।
প্রশ্ন ০৯। ভাইয়া বিড রেস্ট্রিকশন কি?
উত্তরঃ আপনি ক্লায়েন্টের প্রজেক্টে যে প্রোপোজাল দিয়ে কাজ পাওয়ার জন্য দরখাস্ত সাবমিট করেন সেটা হলো একটা বিড। আর এই বিড থেকে আপনাকে নিষিদ্ধ করলে আপনি বিদ করতে পারবেন না। এককথায় আপনার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। ক্লিয়ার?
প্রশ্ন ১০। আচ্ছা ভাইয়া বিড রেস্ট্রিকশন কত দিন হয় বা কিভাবে শুরু হয়?
উত্তরঃ মনে করেন, উলটা পালটা বিড করা শুরু করেছেন। একটানা একই প্রপোজাল মেরে যাচ্ছেন ২৪ঘন্টা পরে আপনাকে জানাবে আপনার আইডি বিড রেস্ট্রিকশনে পড়েছে।
প্রশ্ন ১১। আচ্ছা ভাইয়া বিড রেস্ট্রিকশন কয় দিন থেকে কয় দিন পর্যন্ত থাকে?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন মিনিট থেকে ফ্রিল্যান্সার এডমিনিস্ট্রেটর থেকে যতদিন ইচ্ছা রেস্ট্রিকশন বহাল রাখবে।
প্রশ্ন ১২। ভাইয়া বিড রেস্ট্রিকশনে পড়লে কি আইডি ক্লোজ হবার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ আইডি ক্লোজ হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কিন্তু এই রেস্ট্রিকশন চলতে থাকবে লং টার্ম পর্যন্ত।
প্রশ্ন ১৩। ভাইয়া আমি এই ঝামেলা থেকে বাঁচবো কিভাবে?
উত্তরঃ সহজ হিসাব। প্রজেক্ট পড়ুন ভালোভাবে। এরপরে প্রজেক্ট এর ব্যাপারে লিখুন। ক্লায়েন্ট যেটা চেয়েছে সেটাই তুলেধরুণ। আজাইরা কিছু লিখবেন না। উনার যে স্কিল লাগবে শুধু সেটা নিয়েই লিখুন। আপনার আরো যদি স্কিল থাকে সেটা উল্লেখ না করলেও চলবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে বিড সাবমিট করতে পারেন।
প্রশ্ন ১৪। এতো লেখার সময় কই ভাইয়া? এতো লিখতে গেলে তো সময় পাবো না।
উত্তরঃ তাহলে রেস্ট্রিকশনে পড়লে সময় গুলো কই থেকে আসবে ভাই? কমেন্টে উত্তর দিয়েন 😛
প্রশ্ন ১৫। যারা ফার্স্ট বিডার হয় তাদের নাকি প্রোজেক্ট পাওয়ার চান্স বেশি। এটা কি সত্য নাকি?
উত্তরঃ যে এই কথাটা বলেছে তাকে আবার শুরু থেকে শেখান আপনি। কারণ, ফার্স্ট বিডারকে ক্লায়েন্ট বোটের সাথে তুলনা করেন। ক্লায়েন্ট মনে করেন, এটা একটা ব্রাউজার এক্সটেনশন। যার সাহায্যে অটোবিড করে যাচ্ছেন। এই জন্য তাদের নক করা থেকেও বিরত থাকে। ফ্রিল্যান্সার ডট কম যাদের রিকোমেন্ড করে তাদের আইডির রেটিং, আর্নিং রেটিং পয়েন্ট, প্রোজেক্ট কম্পলিট রেটের গড় হিসেব করে রিকোমেন্ড করে। সুতরাং এটা মাথা থেকে বের করে ফেলুন, “যে আগে বিড করবে সে আগে প্রোজেক্ট পাবে”। মাথায় এটা ঢুকিয়ে নেন, “প্রজেক্ট বুঝে যে প্রোপোজাল সাবমিট করবেন, প্রজেক্ট এর মূল বিষয় যদি প্রোপোজাল এর মাধ্যেমেই বুঝিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ৯০% প্রোজেক্ট পাওয়ার চান্স থাকে”।
প্রশ্ন ১৬। আমি বিড করে যাচ্ছি কিন্তু প্রজেক্ট পাচ্ছিনা কেন ভাই?
উত্তরঃ আমি উপরে উত্তর দিয়েছি সেটা ফলো করেন ।
আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে প্রশ্ন করবেন । আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো ইনশাহ আল্লাহ । ধন্যবার সবাইকে কষ্ট করে পড়ার জন্য। দেখা হবে আগামীতে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

আমাদেরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলো করুন

 

Recent Posts

Leave a Comment

Start typing and press Enter to search